ছবি ভিডিও ভিডিও
সারা দেশ

মতলব উত্তরে মেঘনা নদীতে অভিযান, ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ | ১:৫৩ অপরাহ্ণ




চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার ৬৬০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট ও সুতার জাল এবং চায়না চাই জব্দ করেছে নৌ পুলিশ। এসব অভিযানে অবৈধভাবে মাছ শিকারের অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা কারেন্ট জালের একটি বড় অংশ আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতের পূর্বে ও দিনের বিভিন্ন সময়ে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের নাসিরার চর ও এখলাছপুর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা নাসিরার চর সংলগ্ন মরাপদ্মার মুখে অভিযান চালান। এ সময় নিষিদ্ধ সুতার জাল ও চায়না চাই ব্যবহার করে মাছ শিকারের অভিযোগে মাফুজ মিয়া (৫০), খলিল মিজি (৬০) ও মীর হোসেনকে (৪০) আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৪০ মিটার নিষিদ্ধ সুতার জাল ও ১৬০ মিটার চায়না চাই জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫(১) ধারায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

এদিকে, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনির নেতৃত্বে মেঘনা নদীতে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে এবং মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের সময় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

একই দিন বিকেলে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এখলাছপুর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে পুনরায় অভিযান চালান। এ সময় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগে আলমগীর (৪২), সিপন (৩২), মুন্না (২২) ও শহিদুলকে (২৮) আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৫০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫(১) ও ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ এবং মা ইলিশসহ অন্যান্য মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার সুরক্ষায় মেঘনা নদীতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।