
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১৪ নম্বর সুলতানাবাদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক জাহাঙ্গীর আলম মামুন। ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তাঁকে নিয়ে আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ছে।
জাহাঙ্গীর আলম মামুন সুলতানাবাদ ইউনিয়নের উত্তর টরকী গ্রামের কৃতী সন্তান। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি সাংগঠনিক দায়িত্বও পালন করেছেন।
তাঁর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয়ের মধ্যে রয়েছে—
- সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কবি জসীমউদ্দীন হল ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
- বর্তমান সদস্য, মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপি।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয় তরুণ ও প্রবীণদের অনেকে মনে করেন, পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হতে পারেন।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম মামুন মুঠোফোনে বলেন, “আমি সব সময় জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ থাকব। জনগণের দোয়া ও সমর্থন পেলে সুলতানাবাদ ইউনিয়নকে একটি আদর্শ, আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর–মতলব দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশীদার হয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। আমি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যোগ্য নেতৃত্ব, পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং জনসম্পৃক্ত উদ্যোগের মাধ্যমে সুলতানাবাদ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। আসন্ন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কারা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা।




