
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ১ নম্বর ওয়ার্ডে ক্রয়সূত্রে পাওয়া ১৫ শতাংশ জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের অভিযোগ উঠেছে। নিজের ক্রয়কৃত জমি বুঝে পেতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সোহেল।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আফরোজা আক্তার বকুলের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন কামরুল ইসলাম। পরবর্তীতে কামরুল ইসলাম ওই জমি সোহেলের কাছে বিক্রি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সোহেলের দাবি, ক্রয়সূত্রে জমির মালিকানা পাওয়ার পরও তিনি জমিটি নিয়ে বিরোধের মুখে পড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০০৬ সালের ২৭ ডিসেম্বরের একটি দলিলের ভিত্তিতে স্থানীয় মিঠু, খোরশেদ, জামাল ও তাঁদের সহযোগীরা ওই জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এ সময় সোহেল ও তাঁর স্বজনেরা আপত্তি জানালেও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সোহেলের দাবি, তাঁর কাছে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সোহেল বলেন, “আমার ক্রয়কৃত জমির যাবতীয় কাগজপত্র বৈধ ও সঠিক। নিরপেক্ষ তদন্তে আমার কাগজপত্র ভুল প্রমাণিত হলে আমি সরে যাব। আর কাগজপত্র সঠিক প্রমাণিত হলে আমার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।”
তিনি আরও জানান, জমির মালিকানা ও দখলসংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু সমাধানের আশায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এদিকে, জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও অন্যান্য ভূমি-সংক্রান্ত নথি যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাবে।
ভুক্তভোগী সোহেল জমির কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাঁর আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন




